সময় রাত ৮:০০, বৃহস্পতিবার, ২৩শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,
১০ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

বালিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভায় দুই নেতাকে শোকজ ,একজনকে পিটিয়ে আহত করায় থানায় অভিযোগ

বালিয়াকান্দি : ৭ ই মে  সোমবার বিকালে  এলাহী কমিউনিটি সেন্টারে রাজবাড়ী  বালিয়াকান্দি উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে নবাবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামীলীগের থানা কমিটির  সদস্য কাজী কামরুল হাসান লাভলু ও নারুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আঃ খালেক মন্ডলকে দল থেকে কেন বহিস্কার করা হবে না ১৫ দিনের মধ্যে জবাব চেয়ে শোকজ নোটিশ প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।
উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল হান্নান মোল্লার  সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা রাখেন , রাজবাড়ী-২ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ জিল্লুল হাকিম, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আবুল কালাম আজাদ, সহ-সভাপতি আব্দুস সাত্তার খান, সাধারন সম্পাদক শামসুল আলম সুফি, যুগ্ন সাধারন সম্পাদক এ কে এম ফরিদ হোসেন বাবু, এহসানুল হাকিম সাধনসহ উপজেলা আওয়ামীলীগের সদস্যরা।

অপরদিকে নবাবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামীলীগের থানা কমিটির  সদস্য কাজী কামরুল হাসান লাভলুকে সভায় পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ পাও্যা গেছে। তিনি প্রতিবেদক কে বলেন,গত ৫ই মে  আমি শারিরীক অসুস্থ্যতার কারনে আমাদের এলাকার বিশিষ্ট চিকিতস্যক ডাঃ ইকবাল আরসালান কে দেখাতে ঢাকায় যাই। ওখানে গিয়ে দেখি আমাদের এলাকার আরো নেতাকর্মী নিয়ে ডাঃ সাহেব আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে মিটিং করছেন। আমিও সেখানে উপস্থিত ছিলাম। সেখানকার সভার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। আমাকেও সেখানে দেখতে পেয়ে সবার ধারনা আমি সেখানে প্রোগ্রামে গিয়েছিলাম। তাদের অভিযোগ ডাঃ ইকবাল আরসালানএর সাথে দেখা করে  দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছি ,এজন্য আমাকে তারা মোখিক বহিষ্কার করে।  এরই জের ধরে ৭ই মে  বালিয়াকান্দিতে বর্ধিত সভায় আমি আসার পর এশরাত আলীর ছেলে হারুনুর রশীদ হারুন ও ইসলাম খার ছেলে চাউল মান্নান সহ  ৫-৬ জন আমাকে এলোপাথাড়ি লাথি ঘুষি মেরে আমাকে চেয়ার থেকে ফেলে দেয় এবং আমার পকেটে থাকে নগদ ২০ হাজার টাকা ও একটি এন্ড্রোয়েট ফোন ছিনিয়ে নেয়। তিনি আক্ষেপের সুরে বলেন আমরা আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা। আমাদের এম্পি জিল্লুল হাকিম উপস্থিত থাকার পরেও আমাকে তারা এলোপাথাড়ি মেরে আহত করলো কিন্তু তিনি কিছুই বললেন না। তাই আমি নিজে বাদী হয়ে  নিজের নিরাপত্বা চেয়ে বালিয়াকান্দি থানায়  হারুন ও চাউল মান্নান সহ ৫-৬ জনের  বিরুধ্যে অভিযোগ দায়ের করেছি।

এদিকে বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচারজ হাসিনা বেগম অভিযোগের ব্যপারে  নিশ্চিত করে বলেন ,আমরা অভিযোগ পেয়েছি ,বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যাবস্থা গ্রহন করবো।

 

 

সম্পাদকঃ  অনুজিত সরকার
প্রকাশকঃ মুহাম্মদ রকিবুল হাসান
ই-মেইলঃ [email protected]

কপিরাইট © ২০১৮ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক রাজবাড়ী